সিলেট বার্তা, ২০২০-০৮-০৫ ০২:২৩:৫৪
ভিডিও লিংক : Hakalukir Dheu
বিশেষ প্রতিবেদক : কক্সবাজার নয়। হাকালুকির ঢেউ।এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি।সাগরের ঢেউয়ের মতোই তার ঢেউয়ের গর্জন ।এ দৃশ্য দেখা যায় বা গর্জন শোনা যায় সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়ে কিংবা নৌকায় চড়ে। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এখন হাকালুকি হাওরমূখি হচ্ছেন। শতাধিক নৌকায় চড়ে তারা দেখছেন নীল আকাশের নিচে অথৈ স্বচ্ছ জলরাশি। হাওরের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকা হিজল-করচসহ নানা জলজ বৃক্ষ। আর হাওরের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে থাকা ওয়াচ টাওয়ার।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ,গোলাপগঞ্জ,বিয়ানীবাজার এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখা,জুড়ি ও কুলাউড়া এই ৬টি উপজেলার বিস্তির্ণ অঞ্চল নিয়ে হাওরটির অবস্থান। তবে বেশির ভাগ অঞ্চ মৌলভীবাজারের অন্তর্গত।কিন্তু হাওরটি ঘুরে দেখার জন্য সবচাইতে সু্ইটেবল স্পটের নাম হলো ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়া ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার র বিনোদনপ্রেমী মানুষের সমাগম ঘটছে।
এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে স্পটটি। এর ফলে আয় রোজগার বেড়েছে স্থানীয় নৌকা মাঝিদের। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে।
প্রতিবছর বর্ষা এলেই হাকালুকি হাওরে পর্যটকের ভীড় লেগে থাকে। তবে এবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের সব পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ রয়েছে। কিন্তু ভ্রমণপিপাসু মানুষ করোনার ভয় উপেক্ষা করে ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসছেন হাকালুকি হাওরে। ঈদের দিন শনিবার থেকে ঈদের চতুর্থদিন মঙ্গলবার পর্যন্ত সেখানে প্রায় ১৫ হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় জিরো পয়েন্ট দিয়ে ঢল নামছে মানুষের। নৌকা মাঝিরা জানান, আমরা বর্ষাকালের জন্য অপেক্ষায় থাকি। এসময় মানুষজন হাওর ঘুরতে আসেন। তখন আমাদের বাড়তি আয় রোজগার হয়। তবে করোনার কারনে এবার অয় রোজগার তেমন হয়নি।
বন বিভাগের হাকালুকি বিট অফিসের কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ঈদ উপলক্ষে হাওরে প্রতিদিন ৫ হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটছে। এখানে জনবল সংকট রয়েছে। একা মানুষজনের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।